সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
 

কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ৬ বছর পূর্তিতে দুই দিনব্যাপী পুতুলনাট্য উৎসব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬

 ---

জাবি প্রতিনিধি
পুতুলনাট্য বা পাপেট চর্চায় ৬ বছর পূর্ণ করে সপ্তম বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে নাট্যদল ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’। এ উপলক্ষে আগামী ২৭ ও ২৮ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘পুতুলনাট্য উৎসব ২০২৬’। রোববার বিকেল পৌনে ৫টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎসবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার ছাড়াও আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পাপেট দল তাদের বিশেষ পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে উপস্থিত থাকবে। উৎসবের প্রথম দিন অর্থাৎ ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবের পর্দা উঠবে, যেখানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কীর্তিমান পাপেটশিল্পী অধ্যাপক রশীদ হারুন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে পরিবেশিত হবে ইনভেন্টরস পাপেটের ‘ইন্টারেক্টিভ পাপেট’ এবং কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পরিবেশনায় ‘বনভ্রমণ’। এর আগে ‘বনভ্রমণ’ নাটকটি অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর শিশুপ্রহরে মঞ্চস্থ হয়ে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল।

দ্বিতীয় দিন, ২৮ আগস্ট শুক্রবার দিনব্যাপী মোট তিনটি অধিবেশনে পুতুলনাট্য মঞ্চস্থ হবে। সকাল ১১:০০ টায় যুগ পাপেট থিয়েটারের ‘ইন্টারেক্টিভ পাপেট’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘লিচু চোর’ প্রদর্শিত হবে। এরপর বিকেল ৫:০০ টায় জলপুতুল পাপেটসের ‘চিকেন খাই না’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘নোলক’ মঞ্চস্থ হবে। শেষ অধিবেশনে সন্ধ্যা ৭:০০ টায় ইউনিভার্সেল পাপেটের ‘সবুজ দেশের বিপদ’ এবং কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘বীরপুরুষ’ প্রদর্শিত হবে। বিখ্যাত কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত এই তিনটি নতুন নাটকের মধ্যে ‘লিচু চোর’ লিখেছেন শোভন চক্রবর্তী, ‘বীরপুরুষ’ লিখেছেন রাসেল ইসলাম এবং ‘নোলক’ পুতুলনাটকটি লিখেছেন শরণ এহসান।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’ শিশুদের আনন্দদায়ক শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, বয়স্ক শিক্ষা, অটিজম ও ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষদের জন্য পাপেট থেরাপিসহ ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাট্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা আসাদুজ্জামান আশিক জানান, শিশুদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার পাশাপাশি সব বয়সের মানুষের জন্য সুস্থধারার বিনোদন পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon