ঝালকাঠি প্রতিনিধি
নিয়মের বেড়াজাল আর যান্ত্রিক চাপের মধ্যে শিক্ষা সফরের আয়োজন স্বস্তির শীতল বাতাস বইয়ে দেয় মনে। বসন্তের আগমনে শীতের জীর্ণতা কাটিয়ে প্রকৃতি ফুলে ফুলে সেজে উঠেছে। সে সময়ে ঐতিহ্যবাহী কাঠালিয়া সদর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার আয়োজনে শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয় সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।
১২ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা হাজির হতে থাকেন মাদরাসা ক্যাম্পাসের সামনে। বাসের অপেক্ষা কাটিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাস এসে পৌঁছায়। সবাই বাসে ওঠার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। বাস ছাড়তেই উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে। জানালা থেকে বাতাসে শো শো শব্দে এগিয়ে চলছে গাড়ি। সঙ্গে আড্ডা আর হাসি-ঠাট্টার উৎসব শুরু হয়ে যায় বাসের মধ্যে।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ এর তত্বাবধানে এ শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে মো. মনজুরুল হক, মাওলানা আবু সালেহ মো. আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো.আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো.শহিদুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. মাইনুদ্দিন সিকদার, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো. সাইদুর রহমানসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাদরাসার প্রভাষক সাংবাদিক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বালুকাময় সৈকতের উপর হাজার হাজার লাল কাকড়ার বিচরণ আমাদের মোহিত করে। জেলেপল্লি ঘুরে উপভোগ করা যায় তাদের জীবন যাপন। একদিকে চোখ রাখলে কেবল সাগর আর জলরাশি। অন্যদিকে ঝাউগাছের সারি। ঝাউগাছের ঝিরিঝিরি পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যাস্ত যেন এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
কাঠালিয়া সদর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বনভোজন বা শিক্ষাসফর মূলত আমাদের মনকে দরাস্ত করে, বড় করে ও নতুনত্ব উপলব্ধির পথকে সুগম করে। অজানাকে জানাতে ও অচেনাকে চিনতে শেখায়। আমাদের বিত্ত বিনোদনের জন্যও উদ্যম কে আরও গতিশীল ও তরান্ধিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা প্রতিবছর শিক্ষাসফর দেশের বিভিন্ন স্থানে যেয়ে থাকি। আমাদের শিক্ষা সফরে মূলত শিক্ষার্থীদেরকে প্রকৃতির সান্ন্যিধ্যে নিয়ে যাই। একই সংগে ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সুযোগ ও তারা পেয়ে থাকে। প্রকৃতি আমাদের আনন্দ দেয়, কিছু দাবী করে না।



মন্তব্য