![]()
মোঃজসিম উদ্দিন, সৌদি আরব প্রতিনিধি
যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান-এর দূরদর্শী ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার আওতায় প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বেশ কিছু চমৎকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সৌদি আরবের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের কল্যাণে ঘোষিত। বাংলাদেশসহ ৬ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ই-ভিসা”র উপহারসহজ ও আধুনিক যাতায়াত আন্তর্জাতিক পর্যটক ও ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ এবং আনন্দদায়ক করতে সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় একটি অত্যন্ত আধুনিক “ভিসা প্যাকেজ প্রোগ্রাম” চালু করেছে।এক ক্লিকে চমৎকার সুবিধা। এই চমৎকার ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে একই সাথে ফ্লাইট এবং ভালো মানের হোটেলের বুকিং সম্পন্ন করলেই পর্যটকরা খুব সহজে সরাসরি ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা পেয়ে যাবেন।প্রথম ধাপেই বাংলাদেশ: সৌদি সরকার তাদের এই বিশেষ আধুনিক সুযোগটি দেওয়ার জন্য প্রথম ধাপেই বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মিশর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া এবং মেক্সিকোর নাগরিকদের নির্বাচিত করেছে। ৩ মাস মেয়াদের এই ভিসা প্রবাসীদের আত্মীয়-স্বজনদের সৌদি আরব ভ্রমণের পথকে আরও সহজ করল।বিশ্ব প্রতিভা আকর্ষণে দূরদর্শী “ট্রেইনিং ভিসা” অনুমোদনদক্ষতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের সুযোগ।আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য একটি বিশেষ নতুন ট্রেইনিং ভিসা” (Training Visa) চালুর অনুমোদন দিয়েছে সৌদি ক্যাবিনেট।সৌদি সরকারের চমৎকার উদ্যোগ। এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তরুণ ও পেশাদাররা সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিশ্বমানের আধুনিক প্রতিষ্ঠানে এসে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও মূল্যবান কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। এটি সৌদির সমৃদ্ধ কর্মক্ষেত্রের উদারতারই একটি বড় প্রমাণ।প্রবাসীদের আইনি নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধিনিরাপদ অবস্থানের তাগিদ: দেশের শ্রমবাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং প্রবাসীরা যাতে কোনো ধরনের আইনি জটিলতায় না পড়েন, সেজন্য সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় সবাইকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বসবাসের জন্য সচেতন করছে।আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান ভিজিট ভিসায় আসা প্রিয় অতিথিদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিরাপদে দেশে ফেরার অথবা নিয়ম



মন্তব্য