বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
 

গোয়ালন্দে পদ্মায় অভিযানে ৩৩টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ও ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬

---

মোঃ শাকিল মোল্লা,রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মৎস্য আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বুধবার (১৫ জুলাই) দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এ অভিযানে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তার দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নৌ  ‍পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে আনুমানিক ৩৩টি অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল এবং প্রায় ২ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
পরে জব্দকৃত অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ও কারেন্ট জাল জনসম্মুখে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহারের ফলে মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। এ কারণে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলোট বলেন, “মৎস্য আইন বাস্তবায়ন এবং নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আজকের অভিযানে ৩৩টি অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ও প্রায় ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে, যা জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ জাল ব্যবহার করে কেউ যাতে মাছ আহরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। মৎস্য সম্পদ সুরক্ষার্থে আমাদের এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, আইন অমান্য করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।কর্মকর্তার দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নৌ  ‍পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে আনুমানিক ৩৩টি অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল এবং প্রায় ২ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

পরে জব্দকৃত অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ও কারেন্ট জাল জনসম্মুখে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। শ্লিষ্টরা জানান, নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহারের ফলে মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। এ কারণে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলোট বলেন, “মৎস্য আইন বাস্তবায়ন এবং নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আজকের অভিযানে ৩৩টি অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ও প্রায় ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে, যা জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ জাল ব্যবহার করে কেউ যাতে মাছ আহরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। মৎস্য সম্পদ সুরক্ষার্থে আমাদের এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, আইন অমান্য করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon