![]()
এনামুল কবির মুন্না, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির একটি লিখিত অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি আমলে নিয়ে আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামতসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে (স্মারক নং- ৩৮.৪৬.৯০০০.০০০.২৭.০০১.২৬.৮১৮) এই তদন্তের নির্দেশ প্রদান করা হয়। এর আগে গত ৯ জুলাই দোয়ারাবাজার উপজেলার বাসিন্দা মোছাঃ সুরজাহান আক্তার নামক এক নারী অভিভাবক অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মূল আবেদনের সাথে ৫ পৃষ্ঠার প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও সংযুক্তিসমূহ পেশ করা হয়েছে। উক্ত অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বিষয়টি আমলে নিয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। একই সাথে প্রয়োজনীয় অবগতির জন্য এই চিঠির অনুলিপি সিলেট বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপ-পরিচালককেও প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত নির্দেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস জানান, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকদের মতে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এই নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। তারা আশা প্রকাশ করছেন, কোনো রকম পক্ষপাতিত্ব ছাড়া দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



মন্তব্য