মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে কয়েক দফায় পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। আর এ অভিযোগের তীর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের কালীপুর গ্রামে।
এ ঘটনায় আহত শিশু মো. কাইউমের বাবা দেলোয়ার হোসেন মাঝি বাদি হয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলাটি এস.আই কৃষ্ণকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার ১১ টায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা দেলোয়ার হোসেন পাথরঘাটা প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের কালীপুর ছালেহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক খাদিজা বেগমের মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ অভিযোগে একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে কে.কে আজিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র কাইউম’কে মোবাইল চুরির অপবাদে ১৫ অক্টোবর শনিবার খাদিজা, তার স্বামী বাদল মিয়া ও তাদের সহযোগি বাবু মিয়া ছালেহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরতান ভবনের একটি নির্জন কে নিয়ে কাপুলার কচা দিয়ে কয়েক দফায় পিটায়। এক পর্যায় বমি করলে তাৎণিক কাঠালতলী পরিষদ বাজারে জননী ফার্মেসিতে গিয়ে দুটি বমির ও একটি ব্যথার ট্যাবলেট খাইয়ে মেঝ ভাই আবদুল আলিম কে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করে অবস্থা গুরুতর দেখে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারদিন চিকিৎসা নেয়।
এ বিষয় অভিযুক্ত শিক খাদিজা বেগমের বক্তব্য নিতে চাইলে মোবাইলে ফোন করলে বন্ধ পাওযা যায।
স্থানীয় চৌকিদার আ.সালাম বলেন, চুরির অভিযোগে ওই শিকের ভাইয়ের ছেলে ও কাইউম কে নিয়ে স্কুলের দিকে নিয়ে যেতে দেখেছি। পরে শুনিছি মারধর করা হয়েছে এবং চুরি যাওযা ফোন তার ভাইয়ের ছেলের কাছে পাওযা যায়। তবে আমি চোখে দেখিনি।
এস.আই কৃষ্ণ বলেন, মামলার তদন্তের আদেশ এখনো পাইনি, পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।



মন্তব্য