সোমবার, ১ জুন ২০২৬
 

দশমিনাকে পাল্টে দিয়েছেন ইউএনও

JK0007
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২২

---
২৭ ফেব্রুয়ার ২০২২, সন্ধ্যাবেলা। মানুষের ধারণা বঞ্চিত দশমিনাকে পাল্টে দিতে কোনো এক দূত এসে হাজির। মাগরিবের ওয়াক্ত। এসে আর উপজেলা পরিষদে গেলেন না তিনি৷ পাশের মসজিদে তার নামাজ শেষে এলো শুভক্ষণ। গমন করলেন তার নিজ কক্ষে। পরিচিত হতে লাগলেন সকলের সাথে৷ কে এই দূত? তিনি হলেন দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল। যোগদানের পর থেকেই দশমিনার উন্নয়নে দিন রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ে বলা যায় ২৪/৭ সেবা চালু হয়েছে।

দশমিনা উপজেলার সর্বত্র তিনি ঘুরে ঘুরে আইডেন্টিফাই করেছেন বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা। যতদিন থাকবেন ততদিন তিনি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান ও সম্ভাবনার দার উন্মোচনই তার মূল লক্ষ্য। অসহায়,দারিদ্র্য পীড়িত, জেলে,মজুর ও শ্রমিক সহ দশমিনা বাসীর কল্যাণে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন তিনি। দশমিনার কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা উন্নয়ন ইতোমধ্যে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এই সামান্য সময়ে তিনি বেশকিছু জনকল্যাণমূলক কাজ করেছেন। দায়িত্ব শুধু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নয় বরঞ্চ দায়িত্ব দশমিনার শুন্য পদে থাকা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের। তার অনন্য উদ্যোগগুলো যেনো হ্রদয় ছুয়েছে দশমিনার মানুষের। শিক্ষার ক্ষেত্রে তার অবদানের কথা তুলে ধরা খুব একটা সহজ বিষয় না। তিনি যেগদানের পরেই ২০২২ সালের এসএসসি ও দাখিল এর প্রায় ১৪০০ জন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ছাত্র অভিভাবক সহ সুধী মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হন।

প্রতিনিয়ত সকাল পরিদর্শনে যান প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন তার একটি রুটিন কাজে পরিণত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রাথমিকের পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান গুলোও নিয়মিত পরিদর্শন করেন। যেগদানের পর শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। তার নিয়মিত মনিটরিং এর কারণে শিক্ষক ও ছাত্ররা পাঠদানে নিয়মিত ও মনোযোগী হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে তার এ নজরদারী অভিভাবক সহ সকলে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার একটা ভিত্তি। সেই ভিত যদি শক্ত না হয় তাহলে শুরু শিক্ষিত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো না। আমাদের এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ্যে ৪ হলো মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। আমাদের এই লক্ষ্য পূরণে শিক্ষক ছাত্র অভিভাবক সহ সকলে আন্তরিক হতে হবে। দশমিনা উপজেলার বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও “দশমিনা স্কিল ক্লাব” তৈরি করে তিনি আবারও প্রশংসায় ভাসছেন। এর ফলে শিশু-কিশোরদের জীবনমান উন্নত হবে।

স্বাস্থ্যখাতে তার অবদান অতুলনীয় । পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে যোগাযোগ সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে রাঙ্গাবালীর পরই দশমিনার অবস্থান। দারিদ্র্য পীড়িত মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে তিনি একাধিক বৈঠক করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকে সাধারণ জনগণ যেন নির্বিঘ্নে সেবা নিতে পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।তিনি নিয়মিত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। সেখানে সেবা নিতে এসে কেউ যেন ভোগান্তির শিকার না হন সে ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। গরীব রোগীদের প্রায়ই সাধ্যমতো ঔষধের ব্যবস্থা করেন। জটিল রোগের রোগীদের বিভিন্ন তহবিল থেকে সাহায্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তিনি “হেলথ কার্ড” করার ব্যাপারে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। দুর্গম চরগুলোতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।গর্ভবতী মায়েরা যেন নিয়মিত এএনসি, পিএনসি ও স্বাভাবিক প্রসব সেবা পায়।

এসডিজি’র ৩ নম্বর অভীষ্ট লক্ষ্যে হলো সকলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। যেহেতু স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।তাই স্বাস্থ্য ঠিক মানে সব ঠিক। সম্প্রীতি বরিশালের গৌরনদী থেকে উদ্ধার হওয়া অসুস্থ বৃদ্ধ নারীর চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করে রাতারাতি প্রশংসিত হন তিনি। দশমিনার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কৃষি বিভাগকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল। উপজেলার স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত কৃষক কাজী আনিস সহ অন্যান্য কৃষকদের কৃষি কাজে উৎসাহ প্রদান করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, কৃষি নির্ভর অর্থনীতির দেশে আমাদের হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে এক ইঞ্চি জমিও পতিত থাকবে না।আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমরা দশমিনাতে কৃষি বিপ্লব ঘটাতে চাই।

দশমিনার মুগ ডাল এখন বিদেশে রপ্তানি হয়।তরমুজ চাষে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করবো। আমরা চাই কৃষিতে সমৃদ্ধি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগে তার পদক্ষেপের যেনো কমতি নেই। দশমিনা উপজেলার একটি বড় অংশ নদী। এখানকার জনসংখ্যার একটি বড় অংশ জেলে পেশায় জড়িত। জেলেদের জীবনমান উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন। জেলেরা যেন তাদের সন্তানদের পড়াশোনা করাতে পারে সে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে সচেতন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। জেলেরা যেন দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি না থাকে সে ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা যেন তাদের মাছের প্রকৃত দাম পায় সে ব্যাপারেও তিনি সজাগ রয়েছেন। প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে নতুন নতুন খামার তৈরির ব্যাপারে উৎসাহ ও প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছেন। পোল্ট্রি খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন। দশমিনার মানুষ যেন মাছ মাংস খেয়ে সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে পারে এটাই তার লক্ষ্য। কেউ যেন অপুষ্টিতে না ভোগে।

দশমিনায় বিনোদন কেন্দ্র নেই বললেই চলে। দশমিনার কুয়াকাটা খ্যাত আরজবেগী ব্লককে বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করার জন্য ইতোমধ্যে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নদীর পাড়ের এ মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিনিয়ত মানুষ ভীর জমাচ্ছে। তিনি এর নাম ঠিক করেছেন “সাজেঁর মায়া”। তিনি নিজ হাতে ময়লা আর্বজনা ও অপ্রয়োজনীয় আগাছা পরিষ্কার করছেন।যার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং মিডিয়াতেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে পারলে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে সুধী মহলের বিশ্বাস।

এছাড়া উপজেলার বাশবাড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকায় তেতুলিয়া নদীর পাড়ের এমন উদ্যোগ গৃহীত হবে বলে জানান৷ দশমিনায় ভূমি দস্যু ও অবৈধ দখলদারদের কাছে আতঙ্কের নাম মহিউদ্দিন আল হেলাল। ইতোমধ্যে উপজেলার নলখোলা বাজার, বহরমপুর,বেতাগীসানকিপুর,গুলি আউলিয়াপুর এলাকায় একাধিক অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন। অবৈধ দখলে থাকা জমিগুলো উদ্ধার করে দৃষ্টি নন্দন ফল ও ফুলের গাছ রোপন করেছেন। দশমিনা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর সাধারণ জনগণের মনিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন। যদিও তিনি এসব কাজে কখনো কারো বাহবা চাননা। যোগদানের শুরুর দিকে উপজেলার মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশ পথে থাকত ময়লার স্তুপ। জানা যায়, বাজারের সকল আবর্জনা ফেলার এটাই স্থান। এমতাবস্থায় একদিনের মধ্যে এ ভাগারকে পরিষ্কার করে তৈরি করেন পুষ্টি কানন। যা পুরো দশমিনা বাসীকে তাক লাগিয়ে দেয়। মাদক ও বাল্যবিয়ে রোধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। যোগদানের পর তিনি বেশ কয়েকটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছেন। যোগদানের পর থেকে ৩০ টিরও বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন। দোকানীদের লাইসেন্সবিহীন দোকান পরিচালনা, অবৈধভাবে সার মজুদ রাখা, মানসম্মতহীন খাদ্য বিক্রি, ভেজাল মিশ্রিত খাদ্য বিক্রি ইত্যাদিতে তার জিরো ট্রলারেন্স নীতি।

কম্পিউটার সেন্টারগুলোতে পর্ণগ্রাফি রাখায় এবং যুবসমাজকে ক্ষতির মুখে ফেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন তিনি। এছাড়া ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নিয়ম না মেনে ইটভাটা নির্মাণ খাদ্যে ভেজাল সহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে যাচ্ছেন।যেখানেই অনিয়ম সেখানেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন আল হেলাল।সাধারণ মানুষ যেন তাদের আস্থার ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে।এখন যে কেউ নির্দ্বিধায় তার এলাকার অপকর্মের কথা ব্যক্ত করতে পারে। এমন কথা শোনা যায় জনসাধারণের মুখে। বিদ্যালয়গুলোতে আলোর ভূবন নামে একটা প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়েছে।যার মাধ্যমে অন্ধকার বিজরিত স্কুলগুলোতে জ্বলছে আলো। সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে অপরাধ ও মাদক দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ফেসবুক পোস্ট দেখে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজে রক্ত প্রদান করে এক বৃদ্ধাকে বাঁচিয়ে ভাইরাল হন তিনি। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে উদ্বোধন করেন ‘দশমিনা ব্লাড ব্যাংক’।

গত ২৫ জুলাই দশমিনা উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্ষেত্রে তার অবদানের কমতি ছিলো না। দশমিনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একটি ইউনিয়ন চরবোরহান। যোগদানের পর থেকেই এই ইউনিয়ন যেনো একটু বেশিই নজরদারিতে ইউএনও’র। বেহাল শিক্ষাব্যবস্থার এ ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত স্কুল পরিদর্শনে যান তিনি। এ ইউনিয়নের স্বাস্থ্য খাতের ভয়ানক অবস্থায় কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরির জন্য কাজ করছেন তিনি। সম্প্রীতি চরবোরহানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন তিনি। গরীব ও অসহায় লোকেদের শুখনো খাবার প্রদান ও মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে একসাথে দুপুরের খাবার পরিবেশন কোনো স্বাভাবিক বিষয় না। আজ ২৭ আগস্ট। যোগদানের ৬ মাসে পা দিলেন ইউএনও। তবে কি পাল্টে যাচ্ছে দশমিনার চিত্র? এমনটাই প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দশমিনার উন্নয়ন অভিযাত্রায় এরই মাঝে বেশ কিছু পদক্ষেপের চিন্তা-ভাবনা করেছেন তিনি। তন্মধ্যে,শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন ও তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ,দশমিনার শিল্পায়ন, বিসিক শিল্প, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, শিশু সুরক্ষা বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বেশ কিছু কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর আগে জনগন যাতে তার এলাকার সকল দূর্নীতি কথা তুলে ধরতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সকল প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারে এজন্য ইউএনও’র অনন্য উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ‘নাগরিকের আয়না’। মো. বশির মিয়া(৪৫) নামক একজন সাধারণ লোককে জিজ্ঞেস করলে বলেন, এমন একজন লোককে দশমিনায় পাওয়া আমাদের ভাগ্যের ব্যাপার। আসলেই দশমিনাবাসী তার জন্য কৃতজ্ঞ। হয়তো তিনি একদিন আমাদের এলাকা থেকে চলে যাবেন। কিন্তু তার রেশ সহজে যাবে না।

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজীজ বলেন, মহিউদ্দিন আল হেলাল আসার পর থেকেই দশমিনায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। মানুষের মাঝে আস্তা বিরাজ করছে। তিনি অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ। তিনি আসার পর উপজেলার প্রত্যেকটি স্কুলে রেগুলারিটি আসছে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন উপজেলা তৈরি হচ্ছে, বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তার এমন কার্যক্রমে আমি অত্যন্ত উচ্ছসিত।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon