![]()
মোঃ হেলাল উদ্দীন, নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
দিন যত গড়াচ্ছে, আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারগুলোতে আমের দাম ততই বাড়ছে। মৌসুমের একেবারে শেষ সময়ে এসে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গুটিকয়েক জাতের আম ছাড়া অন্য কোন আম পর্যাপ্ত পরিমাণে মিলছে না। ক্রেতাদের পকেট খালি করে চড়া দামে আম কিনতে হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোপালভোগ, ক্ষীরসাপাত (হিমসাগর) ও ল্যাংড়া সরবরাহ প্রায় শেষ। বর্তমানে আড়ত ও খুচরা বাজারে আমরুপালি প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে প্রতিমন ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ফজলি ও বারি-৪ জাতের আম বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে আসা আশ্বিনা ও গোড়মতি আমের চাহিদা ও প্রচুর। যার প্রভাব পড়ছে সরাসরি দামের উপর।
ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমীর শুরুর দিকে প্রচন্ড গরম এবং পরবর্তী সময়ে টানা বৃষ্টি ও পোকার আক্রমণের কারণে অনেক বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলন কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় এবং বাজারে আমদানি কমায় দাম বৃদ্ধির এই প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, খুচরা ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দাম এতই বেশি যে সাধারণ পরিবারের পক্ষে এক মন বা ভাল মানের আম কেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন আড়ত থেকে তাদের বেশি দামে আম কিনতে হচ্ছে, যার ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। ষি বিভাগের মতে, চলতি বছরে আমের মৌসুম শুরুতে মুকুল, গুটি ও ফলন ভালো থাকায় বাজারে আম সরবরাহ ভালো ছিল এবং ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতা সাধ্যের মধ্যে ছিল । কিন্তু বর্তমানে আবহাওয়া জনিত এবং পোকা আক্রমণের কারণে ফলন কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দামও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে মাঠ পর্যায়ে আম চাষিদের নিয়মিত মনিটরিং করা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।



মন্তব্য