![]()
বাকৃবি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (বাকৃবিসাস) বর্ষসেরা সাংবাদিক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের মো. লিখন ইসলাম। এ বছর বর্ষসেরা ফিচার লেখক হয়েছেন চ্যানেল ২৪-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সুমন গাজী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক তাদের হাতে এ সম্মাননা প্রদান করেন।
সাংবাদিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, বছরব্যাপী জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ ও গুণগত মান, জাতীয় প্রেক্ষাপটে প্রভাব, কর্মদক্ষতা, সৃজনশীলতা, লেখার ধরন এবং সংখ্যা বিবেচনা করে প্রতিবছর বর্ষসেরা সাংবাদিক ও ফিচার লেখক পুরস্কার দেওয়া হয়। দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে নতুন কমিটি ঘোষণার পাশাপাশি বর্ষসেরা সাংবাদিক ও ফিচার লেখকের নাম ঘোষণা করা হয়।
সাংবাদিক সমিতির সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহর সঞ্চালনায় এবং সদ্য বিদায়ী সভাপতি হাবিবুর রহমান রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদিরসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
মো. লিখন ইসলাম বর্তমানে সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। সুমন গাজী চ্যানেল ২৪ অনলাইনে ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত এবং সাংবাদিক সমিতির ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্ষসেরা সাংবাদিক হিসেবে পুরষ্কার পাওয়া নিয়ে মো. লিখন ইসলাম বলেন, ‘সাংবাদিক সমিতিকে নিজের পরিবার মনে করে সারাবছর কাজ করেছি। কাজের স্বীকৃতি অবশ্যই অনেক অনুপ্রেরণা যোগায় এবং এই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বর্তমানে আমার ওপরে যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা সঠিকভাবে পালন করতে চাই এবং এ কাজে সকলের সহযোগিতা আশা করছি।’
বর্ষসেরা ফিচার লেখক নির্বাচিত হওয়া নিয়ে সুমন গাজী বলেন, ‘বর্ষসেরা ফিচার লেখক হিসেবে প্রথমবারের মতো এই স্বীকৃতি পেয়ে সত্যি আনন্দিত আমি। এ অর্জনের জন্য সাংবাদিক সমিতির সকল সদস্যের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। ২০২৪ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সমিতির সঙ্গে আমার পথচলা শুরু হয়েছিল। সেই সময় থেকে সকলের সহযোগিতা পেয়েছি দারুণভাবে। কোনো স্বীকৃতি পাওয়া মানেই দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই লেখনীর মানোন্নয়নে আরও বেশি কাজ করে যেতে চাই।’



মন্তব্য