![]()
ফয়সাল হোসেন, লক্ষ্মীপুর:
ক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৌহিদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়াকে রামগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশের হুমকি দেওয়ার একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে কে প্রধান অতিথি হবেন—তা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হুমকির ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে।ফোনালাপের একটি অংশে বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন পলাশকে বলতে শোনা যায়, ‘মনোয়ার প্রধান অতিথি, আর আমান বিশেষ অতিথির ব্যানারে থাকছে। আমি হানিয়ালা (পানি বিক্রেতা) স্কুলে যাচ্ছি। আমি পৌরসভা বিএনপির সেক্রেটারি। তাহলে পলাশ কে? মারুফ ভূঁইয়া কি সাংগঠনিক রাজনীতি বোঝেন না?’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংগঠনিক রাজনীতি না বুঝলে ইউনিয়ন বিএনপি চালাবেন কীভাবে? প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যানারে আমার নাম নেই কেন?’অডিও রেকর্ডিংয়ে তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আমি পৌরসভা বিএনপির সেক্রেটারি, অথচ ব্যানারে আমার নাম নেই। আমি নির্বাচিত সেক্রেটারি এবং আমি ৫০ লাখ টাকা খরচ করেছি।’
ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৌহিদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়া ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি পুরোনো। পরে আমি বিষয়টি জানানোর পর জ্যেষ্ঠ নেতারা বসে এর সমাধান করেছেন। পলাশ আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ ফোনালাপের বিষয়টি অস্বীকার করেননি।উল্লেখ্য, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রামগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে শেখ মো. কামরুজ্জামান সভাপতি এবং গিয়াস উদ্দিন পলাশ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
পৌরসভা ইউনিটে মোজাম্মেল হক মজু সভাপতি এবং মনোয়ার হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।



মন্তব্য