মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
 

নবীনগর নির্বাচন অফিসে আকস্মিকভাবে স্থানীয় এমপি মোঃ আব্দুল মান্নানের আগমন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬

---

মোঃ চাঁন পাশা, বিশেষ প্রতিনিধি

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে দালালদের দৌরাত্ম, বিভিন্ন অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ স্থানীয় এমপির উপস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেন নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা বৃন্দ। সেবা গ্রহীতাদের  মাঝে দেখা দেয় উৎসাহ উদ্দীপনা।
নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের মাঝে অনেক অভিযোগ রয়েছে। টাকা ছাড়া কোন ফিঙ্গার হয় না, বয়স কম হলে বেশি টাকা দিতে হয়। অনলাইনে আবেদন করে ফিঙ্গার দিতে গেলে টাকা না দিলে ১০-১৫ দিন পর ম্যাসেজ গেলে ফিঙ্গার নিবে এই কথা বলে হয়রানি করে, টাকা দিলে পরের দিনে ফিঙ্গার নেয়। প্রত্যেকটি ফিঙ্গারের জন্য আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা এবং বয়স কম হলে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়। দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না, দালালের দৌরাত্ম ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের হয়রানির অভিযোগ শুধু উপজেলা পরিষদের আশপাশ নয়, নবীনগর সদর বাজারে বিভিন্ন দোকানেও এই নিয়ে সমালোচনা যেন টক অফ দা টাউন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর-২৪৭ আসনে স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১ টায়  পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সরাসরি উপজেলা নির্বাচন অফিসে হঠাৎ উপস্থিত হন। এ সময় তিনি নতুন ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন এবং অন্যান্য সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।এক প্রবাসী নাগরিকের হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ শুনে স্থানীয় সাংসদ তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আমলে নেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রবাসীদের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি স্বতন্ত্র ‘প্রবাসী সেবা ডেস্ক’ চালু এবং সেবা গ্রহীতাদের পর্যাপ্ত বসার স্থান নিশ্চিত করারও নির্দেশ প্রদান করেন।

​স্থানীয় সাংসদ মোঃ আব্দুল মান্নান উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার ভৌমিককে কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, নতুন ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের অসদাচরণ বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না।”

​উপস্থিত সেবা গ্রহীতারা বলেন , প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এ ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকলে নির্বাচন অফিসে সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দালালচক্র ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।মোঃ চাঁন পাশা, বিশেষ প্রতিনিধি।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে দালালদের দৌরাত্ম, বিভিন্ন অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ স্থানীয় এমপির উপস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেন নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা বৃন্দ। সেবা গ্রহীতাদের  মাঝে দেখা দেয় উৎসাহ উদ্দীপনা।
নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের মাঝে অনেক অভিযোগ রয়েছে। টাকা ছাড়া কোন ফিঙ্গার হয় না, বয়স কম হলে বেশি টাকা দিতে হয়। অনলাইনে আবেদন করে ফিঙ্গার দিতে গেলে টাকা না দিলে ১০-১৫ দিন পর ম্যাসেজ গেলে ফিঙ্গার নিবে এই কথা বলে হয়রানি করে, টাকা দিলে পরের দিনে ফিঙ্গার নেয়। প্রত্যেকটি ফিঙ্গারের জন্য আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা এবং বয়স কম হলে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়। দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না, দালালের দৌরাত্ম ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের হয়রানির অভিযোগ শুধু উপজেলা পরিষদের আশপাশ নয়, নবীনগর সদর বাজারে বিভিন্ন দোকানেও এই নিয়ে সমালোচনা যেন টক অফ দা টাউন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর-২৪৭ আসনে স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১ টায়  পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সরাসরি উপজেলা নির্বাচন অফিসে হঠাৎ উপস্থিত হন। এ সময় তিনি নতুন ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন এবং অন্যান্য সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।এক প্রবাসী নাগরিকের হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ শুনে স্থানীয় সাংসদ তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আমলে নেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রবাসীদের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি স্বতন্ত্র ‘প্রবাসী সেবা ডেস্ক’ চালু এবং সেবা গ্রহীতাদের পর্যাপ্ত বসার স্থান নিশ্চিত করারও নির্দেশ প্রদান করেন।

​স্থানীয় সাংসদ মোঃ আব্দুল মান্নান উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার ভৌমিককে কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, নতুন ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের অসদাচরণ বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না।”

​উপস্থিত সেবা গ্রহীতারা বলেন , প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এ ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকলে নির্বাচন অফিসে সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দালালচক্র ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

নবীনগর নির্বাচন অফিসে আকস্মিকভাবে স্থানীয় এমপি মোঃ আব্দুল মান্নানের আগমন।

মোঃ চাঁন পাশা, বিশেষ প্রতিনিধি।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে দালালদের দৌরাত্ম, বিভিন্ন অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ স্থানীয় এমপির উপস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেন নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা বৃন্দ। সেবা গ্রহীতাদের  মাঝে দেখা দেয় উৎসাহ উদ্দীপনা।
নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের মাঝে অনেক অভিযোগ রয়েছে। টাকা ছাড়া কোন ফিঙ্গার হয় না, বয়স কম হলে বেশি টাকা দিতে হয়। অনলাইনে আবেদন করে ফিঙ্গার দিতে গেলে টাকা না দিলে ১০-১৫ দিন পর ম্যাসেজ গেলে ফিঙ্গার নিবে এই কথা বলে হয়রানি করে, টাকা দিলে পরের দিনে ফিঙ্গার নেয়। প্রত্যেকটি ফিঙ্গারের জন্য আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা এবং বয়স কম হলে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়। দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না, দালালের দৌরাত্ম ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের হয়রানির অভিযোগ শুধু উপজেলা পরিষদের আশপাশ নয়, নবীনগর সদর বাজারে বিভিন্ন দোকানেও এই নিয়ে সমালোচনা যেন টক অফ দা টাউন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর-২৪৭ আসনে স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১ টায়  পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সরাসরি উপজেলা নির্বাচন অফিসে হঠাৎ উপস্থিত হন। এ সময় তিনি নতুন ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন এবং অন্যান্য সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।এক প্রবাসী নাগরিকের হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ শুনে স্থানীয় সাংসদ তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আমলে নেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রবাসীদের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি স্বতন্ত্র ‘প্রবাসী সেবা ডেস্ক’ চালু এবং সেবা গ্রহীতাদের পর্যাপ্ত বসার স্থান নিশ্চিত করারও নির্দেশ প্রদান করেন।

​স্থানীয় সাংসদ মোঃ আব্দুল মান্নান উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার ভৌমিককে কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, নতুন ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের অসদাচরণ বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না।”

​উপস্থিত সেবা গ্রহীতারা বলেন , প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এ ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকলে নির্বাচন অফিসে সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দালালচক্র ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon