![]()
মোঃ জসিম উদ্দিন, উপজেলা, নবাবগঞ্জ [দিনাজপুর]
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ ও সনদপত্র (সার্টিফিকেট) বাণিজ্যের বিনিময়ে প্রকাশ্যেই চলছে ঘুষ লেনদেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালটির অফিস সহকারী মোঃ আনোয়ার হোসেনের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সরকারি সেবা নিতে এসে এভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে সাধারণ মানুষের জিম্মি হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
ভিডিওতে যা দেখা গেছে: ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, অফিস সহকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন তার দাপ্তরিক ডেস্কে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। টাকা নেওয়ার সময় তার চোখে-মুখে কোনো দ্বিধাবোধ দেখা যায়নি, যা থেকে স্থানীয়দের ধারণা—এটি এই হাসপাতালের নিয়মিত চিত্রের একটি অংশ মাত্র।
অনিয়ম ও ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ:স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকড় বেশ গভীরে। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিপত্র তৈরি, জন্ম-মৃত্যু বা ইনজুরি সার্টিফিকেট (সনদপত্র) তোলাসহ যেকোনো দাপ্তরিক কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দাবি করে আসছেন এই অফিস সহকারী। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা বা মাসের পর মাস ঘোরানোর মতো হয়রানি এখানে নিত্যদিনের ঘটনা। ভুক্তভোগীদের দাবি, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এই হাসপাতালে চলমান দীর্ঘদিনের ঘুষ বাণিজ্যের একটি অকাট্য প্রমাণ।
এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ:
ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পুরো নবাবগঞ্জ উপজেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে।



মন্তব্য