![]()
মোঃ মিরাজ হোসেন:
দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ইতিমধ্যে ৪২টিতে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বরিশাল বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও এখনও শূন্য রয়েছে বরগুনা জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ এই পদটি। ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ও কৌতূহল তুঙ্গে।
দলীয় সূত্র মতে, বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক পদের জন্য বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তালিকায় রয়েছেন বরগুনা-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা। তবে তার পাশাপাশি দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, রাজপথের ত্যাগী নেতা মো. ফজলুল হক মাস্টারের নাম তৃণমূলের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
এছাড়াও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রম বিষয়ক সহ-সম্পাদক ফিরোজ উজ্জামান মামুন মোল্লা এবং সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এজেডএম সালেহ ফারুক। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তাদের নামও আলোচনায় রয়েছে।
তৃণমূলের জোরালো দাবি,মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বরগুনার সাধারণ কর্মীদের বড় একটি অংশ ফজলুল হক মাস্টারকে এই পদে দেখতে চান। তাদের দাবি, দীর্ঘ দুঃসময়ে দলের হাল ধরা, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে তিনিই জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সবচেয়ে যোগ্য।
তৃণমূলের একাধিক নেতা জানান, আমরা চাই দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারিরা মূল্যায়িত হোক। একই ব্যক্তিকে একাধিক পদে না বসিয়ে ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাদের দায়িত্ব দিলে দলের চেইন অফ কমান্ড মজবুত হয় এবং সাধারণ কর্মীদের মনোবল বাড়ে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে একজন সৎ, দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য নেতার বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে ফজলুল হক মাস্টারকে একজন আস্থার প্রতীক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূলের আবেগ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেবেন। সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে ফজলুল হক মাস্টারের হাতেই বরগুনা জেলা পরিষদের দায়িত্ব অর্পিত হবে এমনটাই বিশ্বাস জেলা বিএনপির সাধারণ কর্মীদের। তাদের মতে, ফজলুল হক মাস্টারের মতো অভিজ্ঞ নেতার হাতেই বরগুনা জেলা পরিষদ একটি জনবান্ধব ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপ নেবে।



মন্তব্য