বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
 

পিরোজপুরে সরকারি জমি দখলের চেষ্টায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬

 

---

নিজস্ব সংবাদদাতা

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় সরকারি জমি দখলের সময় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পন্ড হয়েছে। সোমবার উপজেলার বালিপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি ইউএনও হাসান মো: হাফিজুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কালাম শিকদার এর নেতৃত্বে জামায়াত নেতা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের  বালিপাড়া ইউনিয়ন সভাপতি ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা কালাম শিকদারের ভাইয়ের ছেলে যুব জামায়াতের জিয়ানগর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক  মো. শোয়াইব শিকদার, বিএনপি কর্মী মামুন শিকদার, জামায়াত কর্মী নাজিম উদ্দীন এবং বিএনপি কর্মী আবু ছালেহ খান সহ বেশ কয়েকজন মিলে বালিপাড়া বাজারের সরকারি খাস সম্পত্তি ১ নম্বর খতিয়ানের জায়গার ওপরে পাবলিক হেলথ এর একটা অফিস ছিল সেই স্থাপনাটি তারা ভাংচুর করে দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।

 

স্থানীয় সবুর খান নামে এক ব্যক্তি এই খাস জমি তার নিজের জমি দাবী করে একটি মামলা করেছিল। তবে তিনি ওই মামলায় হেরে যান।

সবুর খান জানান, আমি মামলা করেছিলাম। আমি আবার না রাযি দিয়ে, আদালতে আবেদন করেছি। এই জমিটি দখল করার জন্য স্থানীয় শোয়াইব ও নাজিমসহ ৫-৭জন মিলে পাকা ভবন ভাংচুর করেছে।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে কালাম সিকদার বলেন, আমি দখলে নেই নি। যারা ডিসিআর কাটছে তারা দখলে নিয়েছে। ওখানে ৫ টা ডিসিআর আছে, পুরোনো ২টা নতুন ৩টা। মোসলেম খার ছেলের নামে ২ টা, আমার ভাইর ছেলে শোয়াইবের নামে ১টা, নিজামের নামে ১টা ও জাহিদ একটা। আমি দখল করিনি, এমনি দাড়িয়ে দেখেছিলাম।

 

তবে শোয়াইবের কাছে ডিসিআরের কাগজ দেখতে চাইলে সে কোনো কাগজ দেখাতে পারেনি। সে বলে কাগজ অফিসে আছে অফিস থেকে অনা হয়েনি। অফিস খোলারপর কাগজ সংগ্রহ করে এনে দেখাতে পারবো।

 

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ভূমি ও ইউএনও হাসান মো: হাফিজুর রহমান জানান- এখানে দুটি পক্ষেরই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রয়েছে। ঐটা হাটের তৈরি কৃত সরকারি খাস সম্পত্তি অর্থাৎ ১ নং খতিয়ানের জায়গা। একপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা অফিস থেকে দোকান ঘর করার জন্য বরাদ্দ নেয়। যারা আবেদনকারী তারা গতকাল বিকেলে ডিসিআর পাওয়ার কথা। সমস্যা হলো ওখানে পাবলিক হেলথ এর একটা অফিস ছিল সেই স্থাপনাটি তারা ভেঙে ফেলেছে। এটা সঠিক হয়নি। যেহেতু এটা সরকারি সম্পত্তি সরকার এই ঘর সরিয়ে নিলে, তারপর যারা ডিসিআর পেয়েছে তারা এখানে কাজ করবে। সবুর খান নামে এক ব্যক্তি একটা মামলা করেছিল তার নিজের জমি দাবি করে সে  মামলায় হেরে গেছে। পাসে জেলা পরিষদের পুকুরটি ও দখল করে রেখেছিল কিন্তু সেটার এখন সে আর দখলে রাখতে পারে না। ওপর পক্ষ বলে আমরা এসিল্যান্ড অফিসের জাহিদ সাহেবের সাথে কথা বলে এটা ভাঙছি, জাহিদ অনুমতি দেয়ার কেউ না। আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখছি।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon