বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪
 

ঢাকা জেলা প্রশাসকের অভিযানে দখলকৃত ‘শ্যামপুর খাল’ ও সংলগ্ন খাস জমি উদ্ধার

জাহাঙ্গীর আলম পলক
প্রকাশ: ২২ মে ২০২৪

উদ্ধার হওয়া জায়গা

বিশেষ প্রতিবেদক,

ঢাকা জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমান এর নির্দেশনায় মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন কদমতলী মৌজাস্থিত শ্যামপুর রোডের ‘শ্যামপুর খাল’ ও সংলগ্ন প্রায় ৬৭ শতাংশ খাস জমি চিহ্নিত ও উদ্ধার করা হয়।

কদমতলী থানার মোহাম্মদবাগ চৌরাস্তা হয়ে শ্যামপুর রোডের পাশ দিয়ে উদ্ধারকৃত খাল বহমান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় খালের এক মাথা বুড়িগঙ্গা হয়ে অন্য মাথা শীতলক্ষ্যায় গিয়ে মিশেছে। স্থানীয় ভূমি দস্যু ও দখলদারের আগ্রাসনে ধীরে ধীরে খালটি বিলুপ্তির দিকে এগুচ্ছে। উক্ত খালের সংলগ্ন প্রায় ২০ শতাংশ খাস জমিও অবৈধ দখলে রয়েছে।

তন্মধ্যে ০.০৭১৪ একর ভূমিতে সেমিপাকা কাঠের আসবাবপত্র তৈরির কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। ০.০৭২৩ একর ভূমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া প্রায়. ০৩৬৭ একর জমিতে দুটি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে স্থানীয় বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করা হয়।

ঢাকা জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমান এর সার্বিক নির্দেশনা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( রাজস্ব) জনাব মো: শিবলী সাদিক এর তত্বাবধানে মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান অদ্য অভিযান চালিয়ে কদমতলী মৌজাস্থ আর এস ও মহানগর জরিপের ১ং খতিয়ানে আর এস ৩২৮৩ ও সিটি ২৩০১ নং দাগের ০.০৬৭২ একর খাস জমি উদ্ধার করেন।

একইসঙ্গে খাস জমির সীমানা চিহ্নিত করে লাল নিশান ও মালিকানা সাইনবোর্ড টানিয়ে সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসন, ঢাকার দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়। এই অভিযান পরিচালনার সময় মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার ও সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, কদমতলী থানার কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমান জানান ঢাকা জেলার বিভিন্ন স্থানে মূল্যবান অনেক খাস জমি ভূমি দস্যু ও দখলদাররা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে আছে যেগুলো উদ্ধার ও সংরক্ষণে জেলা প্রশাসন,ঢাকা সর্বদা তৎপর।জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

মন্তব্য

পঠিতসর্বশেষ

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon