মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
 

চুয়াডাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় প্রাণ গেলো স্কুলছাত্রের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৩

---
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: ০৮/১১/২০২৩

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার গোকুলখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে শ্রেণি শিক্ষক খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনে করে। নিজেরাই স্কুলের ভিতর রান্না করছিলেন। রান্না দেরি হওয়ায় স্কুল ছুৃটির পর বাইসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় একই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়াম (৮)। গোকুলখালি বাজার পার সংলগ্ন ব্রীজ পার হয়ে কিছুদুর যাওয়া মাত্রই বিপরিত দিক থেকে আসা একটি অ্যাম্বুলেন্স তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। (০৮ নভেম্বর) বুধবার বিকেলের দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের গোকুলখালি-কুলপালা নামক স্থানের মাঝামাঝি সড়কের উপর ঘটে এ দুর্ঘটনা। বিকট শব্দ শুনে পাশ্ববর্তী মাঠ থেকে এক কৃষক ঘটনাস্থলে যায় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় সিয়ামকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সিয়াম আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের কয়রাডাঙ্গা গ্রামের জামাত আলীর ছেলে এবং একই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলো।
প্রত্যক্ষদর্শী গোকুলখালি গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, মাঠে কৃষিকাজ করছিলাম। এসময় মেহেরপুর থেকে চুয়াডাঙ্গার দিকে যাওয়া দ্রুতগতির একটি অ্যাম্বুলেন্স সড়কে থাকা বাইসাইকেলকে সজরে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। বাইসাইকেলে থাকা স্কুলছাত্র সড়কে আছড়ে পড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারেক জুনায়েত বলেন, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই সে মারা যায়। আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্কুলছাত্রের পরিবারের লোকজনের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
গোকুলখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বেলাল হোসেন ও হামিদুল হক বলেন, শ্রেণি শিক্ষক জামাল হোসেন তার ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করেছিলেন। স্কুল ছুটি হলেও রান্না শেষ না হওয়ায় সিয়াম তার বাইসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। সিয়াম দুর্ঘটানায় মারা গেছে এমন খবর পেয়ে আমরা সদর হাসপাতালে ছুটে আসি।

মন্তব্য

সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর

Developed By: Dotsilicon