![]()
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে গিয়ে এক ১১ বছরের শিশু পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শিশুকে গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণের অভিযোগে সোফায়েল মিয়া (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে ভিডিও ধারণকারী সহযোগী সায়েক মিয়া পলাতক রয়েছে।
গত শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত সোফায়েল একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে শিশুটি বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা সোফায়েল মিয়া পেছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তখন সোফায়েলের সহযোগী একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া নিজের মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে ঘটনাটি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।
পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখে অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে শিশুটি নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে। এ ঘটনায় গত শনিবার (১১ জুলাই) শিশুর বাবা বাদী হয়ে সোফায়েল ও সায়েককে আসামি করে শাল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সোফায়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোফায়েলকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে এবং ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ধারণকারী সায়েক মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”



মন্তব্য