![]()
মোঃ শাকিল মোল্লা, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা জাসমা আক্তারের জৈব সার উৎপাদন কেন্দ্র ও কৃষি মাঠ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড নবুওছিমদ্দিন পাড়ায় অবস্থিত জাছমা ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সার সেন্টার এবং সংলগ্ন কৃষি মাঠ পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম মাঠ পর্যায়ে কৃষি উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জৈব সার উৎপাদন পদ্ধতি এবং কৃষিতে নতুন উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তরুণ উদ্যোক্তা জাসমা আক্তারের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন, তরুণ প্রজন্ম যদি কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে, তাহলে দেশের কৃষি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
তিনি বলেন, রাজবাড়ী জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এ কারণে অনেকেই রাজবাড়ীকে বাংলাদেশের পেঁয়াজের রাজধানী হিসেবে অভিহিত করেন। দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনে এ জেলার কৃষকদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় চাহিদা পূরণে রাজবাড়ীর কৃষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
মহাপরিচালক আরও বলেন, রাসায়নিক সারের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। তিনি তরুণ উদ্যোক্তা জাসমা আক্তারের উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনের মতো উদ্যোগ গ্রামীণ কৃষিকে টেকসই করতে সহায়ক। এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়াতে হবে এবং দেশের অন্যান্য তরুণদেরও কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
এ সময় স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা কৃষি উৎপাদনের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন। মহাপরিচালক তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং কৃষি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (পিপিবি অধিশাখা, পিপিসি উইং) কামরুল হাসান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা, রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস এবং গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দারসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।



মন্তব্য