![]()
মোঃ মিরাজ হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি:
বরগুনার রাজনৈতিক অঙ্গনে সংরক্ষিত মহিলা আসনকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসমা আজিজের নাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সম্পৃক্ততা এবং তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিক উপস্থিতির কারণে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তাকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে দেখার প্রত্যাশা জোরালো হচ্ছে। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আসমা আজিজ নারীর অধিকার, স্বনির্ভরতা ও তৃণমূল নারী নেতৃত্ব বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
সচেতন মহল মনে করছে, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা বরগুনার রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নারী নেতৃত্বের বিকাশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা তাকে গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-১ আসনের বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন আসমা আজিজ। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নানা সংকট, অবকাঠামোগত ঘাটতি ও দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনার বিষয়গুলো তিনি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছেন।
আসমা আজিজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। গত ১৭ বছরে একাধিক মামলা ও হামলার শিকার হয়েছি। তবুও জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ রাস্তাঘাট, কালভার্ট,ব্রিজ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষা ব্যবস্থা ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। মনোনয়ন পেলে জনগণের প্রত্যাশাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের একটি অংশের প্রত্যাশা, সংরক্ষিত মহিলা আসনে যোগ্য, সক্রিয় ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাদের মতে, অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হতে পারেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে তাকে ঘিরে যে জনআলোচনা তৈরি হয়েছে, তা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দলীয় হাইকমান্ড রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নারীর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন নেতাকর্মীরা।



মন্তব্য