![]()
নুরল আমিন নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীতে জমির জের ধরে ২ পক্ষের মারামারি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, ঘটনা টি হলে চাপড়া ইউনিয়নের যাদুরহাট বেড়াডাঙা হাজিপাড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ঘটিকায়।
উক্ত ঘটনা কেন্দ্র করে জোবানুল ইসলাম ও মহিজার রহমান বাদি হয়ে পৃথক পৃথক থানায় এজহার দাখিল করে, মজিহার রহমান মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ আসামি করে, পৃথক জোবানুল ইসলামের ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মামলার বাদি জোবানুল ইসলামের সাথে অনেক দিন ধরে জমি জায়গায় বিরোধ চলে আসছে ,স্থানীয় শালিশ বৈঠকের মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা হয়েছিল,উক্ত আসামিগন সময় অসময়ে আমার পরিবার সাথে আমার বসতবাড়ি দখলের জন্য ঝগড়া লাগিয়ে থাকে। এমনই বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বেশ কিছুলোক নিয়ে আমার বসতবাড়ি দখল করার জন্য লাঠি ছুরি রট নিয়া আমার বাড়ি ভাঙচুর ও দখলের চেষ্টা করে, আমি বাধা দিলে আমাকে এলোপাতাড়ি মার ডাং কিল ঘুশিতে আমি চিৎকার করিলে ১ম সাক্ষি আমার মা জয়মালা বেগম আগাই আসিলে আসামি মহিজার রহমান নির্দশে ৩ নাম্বার আসামি শামিম রড দিয়া হত্যার উদ্দেশে মারিলে মুখে লেগে দাত ভেংগে যায় ও শাষ রোধ করে মারতে ধরে ২নং আসামি স্বপন, ও মহিজার রহমান পরনের কাপড় টানা হেচড়া করে এবং দুই নাম্বার আসামী স্বপন আমার বউয়ের গলার চেইন ছিনিয়া নেয়, পরে উক্ত সাক্ষী গন এবং এলাকাবাসী জড়ো হইলে আসামিগণ লাঠি সোটা ইত্যাদি দিয়ে প্রাননাশকের ভয় দেখিয়ে চলে যায়,উক্ত সাক্ষী জয়মাল খাতুন ও মোনামের অবস্থা খারাপ হইলে ভ্যানযোগে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করি এবং তারা একটি মামলা দায়ের করি।
এলাকাবাসী বলে,জোবানুল ইসলামের জমি তার কেন দখল করে। তার জমি সে পাবে আরোও বলে,জোবানুর ইসলামের উপর যে মামলা করা হয়েছে মিথ্যাহীন মামলা,এবং বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে মিমাংসার জোর দাবী জানায়।
এ বিষয়ে নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর সাঈদ বলেন,দুই পক্ষ মামলা প্রক্রিয়াধীন চলমান আছে।



মন্তব্য