মোঃ শাকিল মোল্লা, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ঢলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট-এ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বুধবার সকাল থেকেই ঘাট এলাকায় এমন চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় যাত্রী পারাপার নির্বিঘ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘাট সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহন দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে এসে জমা হচ্ছে। অতিরিক্ত চাপ থাকলেও লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় দীর্ঘ ভোগান্তির সৃষ্টি হয়নি।
কুষ্টিয়া থেকে আসা যাত্রী রবিউল ইসলাম জানান, “আমরা নির্বিঘ্নে লঞ্চে পারাপার হতে পারছি। কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না, ভাড়াও নির্ধারিত অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে।”
অপর এক যাত্রী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “ফেরিঘাটে এবার অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। স্বস্তিতে পারাপার হতে পারছি।”
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শিমুল জানান, বর্তমানে ২০টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা ঘাটে সার্বক্ষণিক তদারকি করছি, যাতে কোনো লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে না ছাড়ে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সতর্ক আছি।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন-এর দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (এজিএম) সালাউদ্দিন জানান, বর্তমানে ১৭টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “যাত্রীদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পারাপার নিশ্চিত করতে আমাদের তদারকি অব্যাহত রয়েছে। যাতে সবাই নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারে, সে বিষয়েও আমরা সর্বোচ্চ নজর দিচ্ছি।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, ছুটি শেষে যাত্রী চাপ আরও বাড়তে পারে। তবে লঞ্চ ও ফেরির সংখ্যা এবং তদারকি অব্যাহত থাকলে পারাপারে বড় ধরনের ভোগান্তির আশঙ্কা নেই।



মন্তব্য