![]()
কে.ডি পিন্টু (চট্টগ্রাম) :
চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা জানতে পারে, গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটে পূর্বের টাকাপয়সা লেনদেনের সূত্র ধরে পাহাড়তলী ও হালিশহর থানার সীমানাসংলগ্ন পাহাড়তলী থানাধীন আব্দুল লতিফ সড়ক মাইট্টাইল্যা গলি জাবেদের দোকানের সামনে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাহাড়তলী থানার জাবেদ গ্রুপের ২০/২৫ জন এবং হালিশহর থানার মোহাম্মদ আলী গ্রুপের ২০/২৫ জন করে উভয় গ্রুপের ৪০/৫০ জন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে থানা এলাকার মোবাইল ডিউটিতে নিয়েজিত এসআই মহিম উদ্দিন, এএসআই রতন কান্তি ঘোষ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে হাজির হলে উভয় গ্রুপের লোকজন পুলিশ দেখে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় টহল টিমের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কালে ১। মোহাম্মদ আলী (২৪) ও ২। মোঃ সুজন (২৪)-কে আটক করে। তাৎক্ষণিক পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) মোঃ মঈনুর রহমান ও পাহাড়তলী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আজাদ একটি আভিযানিক দলসহ পাহাড়তলী থানাধীন আব্দুল লতিফ সড়ক মাইট্টাইল্যা গলি এলাকায় হাজির হয়ে ধৃত আসামিদের নিকট থেকে একটি বিদেশি পিস্তল (যুক্তরাষ্ট্রে প্রস্ততকৃত), একটি ম্যাগাজিন, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি ধারালো ছোরা ও একটি লোহার রড় উদ্ধার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদ্বয় স্বীকার করে যে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করার লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত বিদেশি পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে শোডাউন করার জন্য তাদের সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল।



মন্তব্য